সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দাবি, উপমহাদেশে এমন আয়োজন এটাই সবচেয়ে বৃহৎ। বরিশাল মহাশ্মশানে ১৯২৭ সাল থেকে পালিত হয়ে আসছে শ্মশান দীপাবলি উৎসব।
বরিশাল মহাশ্মশান রক্ষা কমিটির সভাপতি মানিক মুখার্জি কুডু বাংলা ট্রিবিউনকে জানান— সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, কালীপূজার আগের দিন ভূত চতুর্দশী তিথিতে পূজা অর্চনা করলে মৃত ব্যক্তির আত্মা শান্তি লাভ করে। তাই আত্মার শান্তি কামনার পাশাপাশি মৃত প্রিয়জনের উদ্দেশে তার সমাধিস্থলে নিবেদন করা হয় নানান খাবার।
মাস্ক ছাড়া মহাশ্মশানে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। প্রবেশপথে জীবাণুনাশক দুটি টানেল বসানো হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য সার্বক্ষণিক মাইকিং চলছে।
শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) সকাল থেকে চলতে থাকা শ্মশান দীপাবলি উৎসব শেষ হবে আজ শনিবার রাত ১০টায়।