সিআইডি ইন্সপেকটর বলেন, ‘নিহতের কাছ থেকে তার সহকর্মীর আইডি কার্ড পাওয়া যায়। ওই তথ্যের ভিত্তিতে তার সহকর্মীকে শনাক্ত করা হয়। পরে ওই সহকর্মীর কাছ থেকে নিহতের পরিচয় উদ্ধার করে স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে। স্বজনরা আসার পর শামীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। তবে এখন পর্যন্ত ঘাতক শনাক্ত করা যায়নি। ঘাতকের সন্ধানে একাধিক আইনশঙ্খলা বাহিনী কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।’
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) ভোর রাত সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা থেকে বরিশালে এসে পৌঁছে। ভোর ৬টার দিকে লঞ্চ ধোয়া-মোছার কাজ শুরু করেন স্টাফরা। এসময় তারা ছাদে সাইলেন্সারের পাশে ওই যুবককে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তারা। যুবকটির বুকে ও পেটে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। এতে তার পেটের নাড়ি-ভুড়ি বেরিয়ে যায়।