জিল্লুর রহমান বলেন, ‘কুয়াশার তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনা এড়াতে মঙ্গলবার রাত পৌনে ১০টা থেকে ফেরিসহ সব নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। এতে সহস্রাধিক যানবাহনের চালক, সহযোগী ও যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। এখনও পদ্মা নদীর অববাহিকায় প্রচণ্ড কুয়াশা থাকায় কয়েকটি ফেরি পরীক্ষামূলকভাবে ছাড়া হলো। দেখা যাক কুয়াশা ভেদ করে ফেরি দৌলতদিয়া প্রান্তে পৌঁছাতে পারে কিনা।’
আটকে পড়া যানবাহন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পারাপার করা হবে বলে জানান তিনি।