আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও শ্রেষ্ঠ জয়িতাদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বুধবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে খুলনা সিএসএস আভা সেন্টারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেসিসি মেয়র আরও বলেন, নারী শিক্ষার উন্নয়ন ও নারী মুক্তি আন্দোলনে বেগম রোকেয়ার অবদান অপরিসীম। বেগম রোকেয়ার দেখানো পথে চলে নারীরা আজ উন্নয়নের সব ক্ষেত্রে নিজেদের সম্পৃক্ত করতে পেরেছেন।
খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেসিসির প্যানেল মেয়র অ্যাডভোকেট মেমরি সুফিয়া রমহান শুনু এবং প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর খুলনার আঞ্চলিক পরিচালক আফরোজা খান মিতা।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের উপপরিচালক নার্গিস ফাতেমা জামিন। এসময় বিভিন্ন নারী সংগঠনের নেত্রী ও শ্রেষ্ঠ জয়িতারা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেন।
২০১৯-২০ অর্থ বছরে খুলনা সিটি করপোরেশন পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচিত হন অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী ক্যাটাগরিতে ফৌজিয়া সুলতানা এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় কাজী নাসরিন আক্তার।
এছাড়া জেলা পর্যায়ের পাঁচ ক্যাটাগরিতে অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকরায় ফৌজিয়া সুলতানা, শিক্ষা ও চাকরিক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী পাইকগাছা উপজেলার মোসাম্মাৎ সুরাইয়া বানু, সফল মা পাইকগাছা উপজেলার রাবেয়া বেগম, নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন করে জীবন শুরু করা ফুলতলা উপজেলার তাসমিনা নার্গিস এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় ডুমুরিয়া উপজেলার অঞ্জনা বালা বিশ্বাস শ্রেষ্ঠ জয়িতা হন।
খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের সহযোগিতায় জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদফতর খুলনা কার্যালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।