আনোয়ার-উল-আলম শহীদ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন। তার মৃত্যুতে টাঙ্গাইলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ডা. সাঈদা আলম, এক ছেলে সাঈদ আনোয়ার বিশাদ এবং এক মেয়ে সারাহ আনোয়ার রমোনাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
ডা. সাঈদা আলম বলেন, ‘শুক্রবার (১১ ডিসেম্বর) বাদ জুমা ঢাকার বনানীতে আর্মি গ্রেভিয়ার্ডে তাকে দাফন করা হবে।’
আনোয়ার-উল-আলম শহীদ ১৯৪৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মৌলভী আব্দুর রাহীম এবং মা বেগম ঈদ-উন-নেছা। পৈত্রিকনিবাস টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার বাংড়া ইউনিয়নের ইছাপুর গ্রামে।
মহান মুক্তিযুদ্ধে আনোয়ার-উল-আলম শহীদের অবদান অপরিসীম। কাদেরীয়া বাহিনীর রণকৌশল নির্ধারণে তিনি সর্বদাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতেন। মুক্তিযোদ্ধাদের উৎসাহ, অনুপ্রেরণা ও মনোবল বৃদ্ধির জন্য ১৯৭১ সালে কাদেরীয়া বাহিনীর হেডকোয়ার্টার থেকে প্রকাশিত মুক্তিবাহিনীর মুখপত্র রণাঙ্গন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন তিনি।