রাস্তার পাশে লাউগাছ লাগানো নিয়ে তর্ক থেকে প্রকাশ হামলায় প্রাণ গেছে এক নারীর। নিহতের নাম রানী বেগম (৫০)। শনিবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৬ টায় পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের রাঢ়ী বাড়ির উত্তর পাশে রাস্তার ওপর এ ঘটনাটি ঘটেছে। এ হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুস্প বেগম নামে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। তার স্বামী হালিম রাঢ়ী পলাতক।
নিহত গৃহবধূ কেশবপুর গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডের আবুল কাশেম রাঢ়ীর স্ত্রী।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায় , কেশবপুর গ্রামের ১ নম্বর ওয়ার্ডের হালিম রাঢ়ী রাস্তার পাশে লাউগাছ লাগান। গত শুক্রবার বিকালে রাস্তার মাটি কেটে ওই গাছের গোড়ায় দিলে তাতে বাধা দেন পাশের গ্রামের আবুল কাশেম রাঢ়ী বাধা দেয়। এ সময় উভয়ের মধ্যে বাক-বিতণ্ডার একপর্যায়ে হালিম রাঢ়ী ও তার স্ত্রী পুস্প বেগম ক্ষিপ্ত হয়ে আবুল কাশেম রাঢ়ীকে মারতে গেলে আবুল কাশেমের স্ত্রী রানী বেগম ছুটে এসে বাধা দেয়। স্থানীয়রা তাদের ঝগড়া থামিয়ে দিলে তারা যার যার বাড়িতে চলে যায়। তবে ঘটনা এতে শেষ হয়নি। শনিবার সকালে রানী বেগম ও তার মেয়ে সাথী আক্তার হাত মুখ ধুতে পুকুরপাড়ে এলে হালিম রাঢ়ীর স্ত্রী পুস্প বেগমের সঙ্গে আবারও তাদের পুনরায় বাক-বিতণ্ডা হয়। এ সম হালিম রাঢ়ী এসে পেছন থেকে দা দিয়ে রানী বেগমের মাথায় আঘাত করলে রানী বেগম মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
স্থানীয় ও পরিবারের সহায়তায় প্রথমে কালিশুড়ি স্লোব হাসপাতালে নিলে অবস্থার অবনতি দেখে তাদের বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ রানী বেগমের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায় । আর ঘটনা দেখে হালিম রাঢ়ী পালিয়েছে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় পুস্প বেগম নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। পুস্প বেগমের স্বামী হালিম রাঢ়ীকে আটকের চেষ্টা চলছে।