বুধবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুরে মানিকগঞ্জ কর্নেল মালেক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসময় আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে স্বপ্ন দেখেছিলেন সেই স্বপ্ন আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা বাস্তবায়ন করতে চলেছেন। বাংলাদেশের একটি মানুষও চিকিৎসার বাইরে থাকবে না। প্রতিটি জেলায় একটি করে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল হবে। বাংলাদেশে আজ কোনও খাদ্যের অভাব নেই। প্রতিটি বাড়ি বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হয়ে উঠেছে। অবকাঠামোগত অভূতপূর্ব উন্নতি হয়েছে। দেশ এখন মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত হয়েছে।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবার উন্নতির পাশাপাশি দেশের মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়ে ৭৩ বছর হয়েছে। এছাড়া আমাদের গড় আয় ২০০ ডলার থেকে ২০০০ ডলারে উন্নতি হয়েছে।
মানিকগঞ্জের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ২০১০ সালে মানিকগঞ্জ হাসপাতালে একটি ভালো ব্লাডপ্রেসার মাপার যন্ত্রও ছিল না, ছিল না ডায়াবেটিস মাপার ব্যবস্থা। সেই মানিকগঞ্জে আজ চিৎকিসা সেবা সম্প্রসারিত হয়েছে। স্থানীয় ও আশপাশের এলাকার মানুষ এখন উন্নত চিকিৎসা পাচ্ছেন। এখন আর মানিকগঞ্জবাসীকে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর কিংবা থাইল্যান্ড যেতে হবে না।
জাহিদ মালেক আরও বলেন, করোনায় সারা পৃথিবীর অর্থনৈতিক অবস্থা যখন বিপর্যস্থ। কিন্তু দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো। এখনও অর্থনৈতিক সূচকে ১৫ ভাগ এগিয়ে আছি। আমেরিকা ৫, ভারত ৭ ভাগ মাইনাসে চলে গেছে। ইউরোপ বন্ধ হয়ে গেছে, সেখানে লকডাউন চলছে। বাংলাদেশের উন্নতির চাকা অব্যাহতভাবে ঘুরছে। পুরো বাংলাদেশে করোনা নিয়ন্ত্রণে। দেশের সবকিছু চালু আছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
কর্নেল মালেক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আব্দুল মান্নান, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা বিভাগের সচিব আলীনুর বিশ্বাস, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক (শিক্ষা) ডা. এইচএম এনায়েত হোসেন খান, স্বাস্থ্য অধিদফতরের অপর মহাপরিচালক আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশেদ আলম, বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মবিন খান, কর্নেল মালেক মেডিক্যাল কলেজের প্রকল্প পরিচালক খান মোহাম্মদ আরিফ, মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পিপি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম প্রমুখ।