সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপ্রতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তাদের সামরিক সচিবদের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সর্বসাধারণের জন্য স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এর পর একে একে শ্রদ্ধা জানাতে থাকেন রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ।
হেফাজতের সঙ্গে বৈঠক বিষয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুও পাকিস্তানিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, তারা কি চেয়েছিল। তাদের সঙ্গে বৈঠকটা করা হয়েছে, কারণ আমরা জানতে চাই তারা কি চায়। আমাদের যে শপথ, আমাদের যে আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ, স্বাধীনতার আদর্শ, এই প্রশ্নে আমরা কোনও আপস করবো না। সেটাও আমরা তাদের জানিয়ে দিতে পারি।
স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পর দেশের বিজয় এলেও মুক্তি মেলেনি, নেই বাক স্বাধীনতা। মৌলিক স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে। অধিকার হরণ করা হয়েছে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ও এদেশের মানুষকে মুক্ত করার জন্য আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। অবশ্যই আমরা বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে সক্ষম হবো।
এদিকে দিবসটি উপলক্ষে যেকোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঢাকা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। স্মৃতিসৌধ এলাকা ও এর আশপাশে বসানো হয় সিসিটিভি ক্যামেরা। পোশাকধারী পুলিশ-র্যাব ছাড়াও সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কড়া নজরদারিতে রেখেছেন গোটা সৌধ এলাকা।