জানা যায়, ২ কোটি ৮৮ লাখ টাকা ব্যায়ে স্কুলটির নির্মাণের কাজ পায় যশোরের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এন আই ট্রেডার্স। গত বছরের ৩ জুলাইয়ে ধাণ্যখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন এ ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়। নির্মাণের প্রথমেই স্কুলটিতে অনিয়ম করে কাজ শুরুর অভিযোগ ছিল। এর আগেও একবার ভাঙচুর করা হয়। ভবনটির ভীত এত নিচু করে কাজ করা হয়েছে বৃষ্টি একটু বেশি হলে পানি ক্লাসের মধ্যে ঢোকার সম্ভবনা রয়েছে। এছাড়া ঠিকমতো রড-সিমেন্ট না দিয়ে কাজ চলছে এমন খবর পেয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ আর গ্রামবাসী মিলে ভবনটি প্রায় এক ঘণ্টা ধরে ভাঙচুর করে।
স্থানীয়রা জানান, রড, সিমেন্ট কম দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এতে ভবনটি যেমন দীর্ঘস্থায়ী হবে না, তেমনি স্কুলে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। টেকসই আর নিরাপদ ভবন চান তারা।
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এন আই ট্রেডার্সের প্রতিনিধি রবিউল ইসলাম জানান, তার জানা মতে স্কুলটিতে কোনও অনিয়ম হয়নি। ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শে কাজ চলছে। তবে নির্মাণ শ্রমিকরা স্কুলের বারান্দার কাজ করার সময় এক জায়গায় কম রড ব্যবহার করেছে জানতে পেরেছি। অভিযোগ পেয়ে ঠিক করা হবে জানালেও স্কুলের লোকজন ভাঙচুর করেছে।
শার্শা উপজেলা শিক্ষা অফিসার হাফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, এখন পর্যন্ত স্কুলভবন ভাঙচুরের ঘটনা শুনিনি। তদন্ত করে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়ম পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।