এ সময় বারির প্রধান কার্যালয়ের সামনে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও জেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশনা মোতাবেক অনুরূপ কর্মসূচি পালন করেন।
কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, ‘১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের ভেতরে প্রধান সহকারী, উচ্চমান সহকারী ও শাখা সহকারী পদগুলোকে প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং সাঁটলিপিকার পদকে গোপনীয় কর্মকর্তা পদে উন্নীত করা হয়েছে। প্রায় ২৫ বছর অতিবাহিত হলেও সচিবালয়ের বাইরে দফতর, অধিদফতর, পরিদফতর, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের প্রধান সহকারী, উচ্চমান সহকারী ও সাটঁলিপিকার পদগুলো একই রয়ে গেছে। তাদের ভাগ্যের কোনও পরিবর্তন হয়নি। ফলে সচিবালয়ের বাইরের কর্মচারীরা চরম বৈষম্য ও বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন।’
তারা আরও বলেন, ‘এ ব্যাপারে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দশম এবং জাতীয় সংসদের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ৩২ ও ৩৩তম সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক সচিবালয়ের বাইরের কর্মচারীদের সচিবালয়ের মতো প্রশাসনিক কর্মকর্তা করার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা প্রদান করলেও এ পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন হয়নি।’