নিহত মজিবুর খন্দকার সদর উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়নের চর বয়রাগাদী গ্রামের বাসিন্দা।
নিহতের ছেলে সবুজ খন্দকার জানান, গত ১৬ ডিসেম্বর সকালে মোটরসাইকেল যোগে বাসায় ফেরার পথে উপজেলার চর বয়রাগাদী সেতুর সামনে একই এলাকার আবুল হোসেন, নাসির উদ্দিন, কবির হোসেন, জাকির হোসেন, আমান উল্লাহ, সৈয়দ রিফাত, মোকছেদুল, ফয়সাল, দেলোয়ার, মহসিন, মোহাম্মদ আলী আফজালসহ তাদের লোকজন পথরোধ করে তাকে মারধর করতে থাকে। এই সংবাদ পেয়ে তার বাবা, মামাতো ভাই স্বপন ও মামি ছামিরুন নেছা তাকে উদ্ধার করতে আসে। তখন সন্ত্রাসীরা তার বাবা, মামাতো ভাই ও মামিকেও এলোপাতাড়ি কোপায়। এতে তার বাবা হাতে ও পেটে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়। সে সময় এলাকাবাসী ছুটে আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন এলাকাবাসী। চিকিৎসা নিয়ে তাদের তিন জন কিছুটা সুস্থ হলেও বুধবার সকালে তার বাবা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
এ বিষয়ে ওসি জানান, লাশ ময়নাতদন্তের পর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এই ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জড়িত অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।