নীলফামারী ছাত্র মৈত্রীর নতুন সভাপতি বংশীনাথ, সম্পাদক জাহিদ

নীলফামারীতে-ছাত্র-মৈত্রীর-জেলা-সম্মেলন

নীলফামারীতে বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর ৯ম জেলা সম্মেলন বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও তিস্তা বাঁচাও, নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ড. তুহিন ওয়াদুদ। বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে নীলফামারী পৌরসভা মিলনায়তনের সম্মেলন কক্ষে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

ছাত্র মৈত্রীর কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি ও জেলা সভাপতি রনজিৎ কুমার রায়ের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী আব্দুল মোতালেব জুয়েল।

তুহিন ওয়াদুদ বলেন, ‘দেশে উন্নয়ন হচ্ছে সত্য, কিন্তু তার সুবিধা সমবণ্টিত হচ্ছে না। মত প্রকাশের স্বাধীনতা দিন দিন কমছে। যে বৈষম্যনীতির বিরুদ্ধে এ দেশের মানুষ দেশ স্বাধীন করেছিলেন, সেই বৈষম্যনীতি রাষ্ট্রে এখনও বিদ্যমান। সরকারের আপসকামী নীতির ফলে নতুন করে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি আমাদের দেখতে হচ্ছে।’

ছাত্র সমাজের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, পড়াশোনা করতে হবে জ্ঞানার্জনের জন্য। দেশের ছাত্র সমাজকে বৈষম্য দুর্নীতি সাম্প্রদায়িকতাসহ সকল অশুভনীতি ও শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় ছাত্র মৈত্রীর সহ-সভাপতি শহীদুল্লাহ কায়সার, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আব্দুর রউফ, জেলা ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক রশিদুল ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা সন্ত্রাস ও দূর্নীতিমুক্ত শিক্ষাঙ্গন, শিক্ষা ব্যবস্থায় সাম্প্রদায়িকতা ও বৈষম্য দূর, কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত, অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্য গড়ার দাবি জানান। এবং শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা ও সুদমুক্ত প্রযুক্তি সহায়তা দাবি করেন।

পরে দ্বিতীয় অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে বংশীনাথ রায়কে সভাপতি ও জাহিদ হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩১ সদস্যের নীলফামারী জেলা ছাত্র মৈত্রীর কমিটি ঘোষণা করা হয়।

পরে নব গঠিত কমিটিকে শপথ বাক্য পাঠ করান সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কাজী আব্দুল মোতালেব জুয়েল।