গ্রেফতার হাফিজুর রহমান ওরফে হৃদয় (২৪) পাবনা জেলার ভাঙ্গুরা উপজেলার কৈডাঙ্গা বাজার এলাকার জুলহাসের ছেলে।
পুলিশ সুপার জানান, গত ২৪ জুন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরের গাছা থানার কুনিয়া তারগাছ এলাকায় ময়মনসিংহগামী দ্রুতগতির একটি ড্রাম ট্রাক পোশাক শ্রমিক জেসমিন আক্তারকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন। রংপুরের কাউনিয়া থানার শান্তাবাজার এলাকার মানিক মিয়ার স্ত্রী জেসমিন স্থানীয় কুনিয়া তারগাছ এলাকার মিজুর বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। এ ঘটনার পর চালক ট্রাকটি সড়কের পাশে ফেলে পালিয়ে যায়। ঘটনার পরদিন নিহতের বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাত চালকের বিরুদ্ধে সড়ক পরিবহন আইনে গাছা থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ দীর্ঘ তদন্ত শেষে আদালতে ‘চূড়ান্ত প্রতিবেদন সত্য’ দাখিল করলে বিজ্ঞ আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পিবিআই গাজীপুরকে আদেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তা ওই ঘাতক ড্রাম ট্রাকটির অজ্ঞাত চালককে শনাক্ত করেন। শনিবার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গাজীপুরের জয়দেবপুর চৌরাস্তা এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা হলে সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনার প্রায় ছয় মাস পর চাঞ্চল্যকর জেসমিন হত্যার রহস্য উন্মোচন হয়েছে।