জ্ঞাত আয় বহির্ভূত প্রায় চার কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বগুড়া পৌরসভার দুই নম্বর প্যানেল মেয়র ও শাহ্ ফতেহ আলী পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল হয়েছে। দুদক প্রধান কার্যালয়ের গোয়েন্দা ইউনিটের উপ-পরিচালক একেএম মাহবুবুর রহমান মঙ্গলবার বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ে এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয় সূত্র জানায়, গত ২০১৭ সালের ৯ এপ্রিল তৎকালীন উপ-পরিচালক মাহফুজ ইকবাল বগুড়া পৌরসভার প্যানেল মেয়র (১৫ নম্বর ওয়ার্ড) আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলা করেন। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২০১৫-১৬ করবর্ষের আয়কর নথি অনুযায়ী আমিনুল ইসলামের বৈধ আয় এক কোটি ২২ লাখ ২২ হাজার ৪৩ টাকা। ঋণ ও আয়কর এবং পারিবারিক ব্যয়ের পরিমাণ এক কোটি ১৮ লাখ ৮৮ হাজার ৫৪৩ টাকা।
তদন্তে জানা গেছে, তিনি তিন কোটি ৭৯ লাখ ১৩ হাজার ৬৪৬ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেন। সাড়ে ৩ বছরেরও বেশি সময় তদন্ত শেষে দুদক প্রধান কার্যালয়ের গোয়েন্দা ইউনিটের উপ-পরিচালক একেএম মাহবুবুর রহমান মঙ্গলবার ২৯ ডিসেম্বর দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, অভিযোগপত্রটি গ্রহণ করা হয়েছে। এখন বিচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নথি বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতেপাঠানো হবে।