ওসমানী বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন আরও ৪১ লন্ডন প্রবাসী

যুক্তরাজ্য থেকে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে আসলেন আরও ৪৭ জন যাত্রী। তাদের মধ্যে ৪১ জন সিলেটের। সোমবার (৪ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় তারা সিলেটে পৌঁছান। যাত্রীদের সরকারি ব্যবস্থাপনায় কোয়ারেন্টিনের জন্য বিমানবন্দর থেকে নেওয়া হবে দরগা গেটের একটি হোটেলে। সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক হাফিজ আহমদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

জানা গেছে, প্রবাসীদের মধ্যে যারা ওই হোটেল থাকতে চাইবেন না তাদের নেওয়া হবে একই এলাকার আরেকটি হোটেলে। তবে হোটেলের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকাকালীন কেউ তাদের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন না। সেজন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নির্দেশনার পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

এদিকে, অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সোমবার সকাল থেকে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের  একটি দল অবস্থান নেয়।

সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (কোভিড-১৯) শামমা লাবিবা অর্ণব বলেন, ‘ওসমানী বিমানবন্দরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। ইতোমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় বিআরটিসি বাস বিমানবন্দরে রয়েছে। বাসে করে তাদের হোটেলে নেওয়া হবে।’

তিনি জানান, নিজ খরচে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশনার পর যুক্তরাজ্য প্রবাসীদের অনেকেই দেশে আসার আগ্রহ হারিয়েছেন। যাত্রীরা যাতে হোটেলের বাইরে না যেতে পারেন এবং তাদের স্বজনরা যাতে হোটেলে প্রবেশ না করেন তা তদারকি করতে হোটেলগুলোর সামনে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।

বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক বলেন, বিমানবন্দরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। সেই সঙ্গে জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট রয়েছেন। যাত্রীদের ৪১ জন সিলেটে নামার পর ঢাকায় চলে যাবেন বাকি ৬ জন। সিলেটের যাত্রীদের বিআরটিসির বাসে করে নিরাপত্তা দিয়ে হোটেলে নেওয়া হবে।

ওসমানী বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, সপ্তাহের প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে সিলেট ওসমানী আন্তর্জতিক বিমানবন্দরে বিমানের সরাসরি ফ্লাইট আসে। সর্বশেষ গত ২৪ ডিসেম্বর ২০২ জন, গত ২৮ ডিসেম্বর ২০২ জন এবং ৩১ ডিসেম্বর ২৩৭ যাত্রী নিয়ে বিমানের তিনটি ফ্লাইট ওসমানী বিমানবন্দরে আসে। এই তিন দিন আসা যাত্রীদের মধ্যে যথাক্রমে ১৬৫, ১৪৪ ও ২০২ জন ছিলেন সিলেটের। বাকিরা ঢাকায় চলে যান।