ভূমিকম্পের সময় রাজধানীর পূর্ব জুরাইন এলাকায় আতঙ্কে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে আতিকুর রহমান (২৯) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও নগরীর বিভিন্ন এলাকায় নারী ও শিশুসহ প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে ও ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে এসব লোকজন আহত হয়েছেন।
সোমবার ভোর ৫টা ৫ মিনিটে রাজধানীসহ সারাদেশে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার তীব্র ভূকম্পন অনুভূত হয়। যার উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের মণিপুর রাজ্যের রাজধানী ইম্ফলে। ঢাকা থেকে ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থলের দূরত্ব ছিল ৩৫১ কিলোমিটার। কেন্দ্রস্থলটি সিলেটের করিমগঞ্জের খুব কাছে।
ঢাকায় নিহত যুবকের লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। তবে আহতদের বেশিরভাগই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী। ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ বক্সের ইনচার্জ মোজাম্মেল হক বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত আতিকুর রহমানের পরিবারের বরাত দিয়ে মোজাম্মেল হক জানান, ভূমিকম্পের সময় আতিক আতঙ্কিত হয়ে বাসার সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে শ্যামপুর থানার ডিউটি অফিসার এসআই মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। এখনও রিপোর্ট পাইনি। নিহতের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য হাতে পেলে জানাতে পারব। তবে জানতে পেরেছি, নিহত ব্যক্তি একটি কিন্ডার গার্ডেন স্কুলের শিক্ষক।’
/এআরআর/এসএম/এসটি/