নোয়াখালীতে মওদুদ আহমদের জানাজা সম্পন্ন

নোয়াখালীতে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের তৃতীয় জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে দুপুর ৩টা ১০মিনিটের দিকে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে করে কবিরহাট ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে মওদুদ আহমদের মরদেহ আনা হয়। এরপর কোম্পানীগঞ্জে আরও দু’টি জানাজা শেষে তাকে সমায়িত করা হবে।

শুক্রবার (১৯ মার্চ) দুপুর ৩টা ৩৫ মিনিটের দিকে নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার কবিরহাট ডিগ্রি কলেজ মাঠে তার তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজায় অংশ নেন, নোয়াখালী ৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধরী, কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, কেন্দ্র বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য তাবিথ আউয়ালসহ দলীয় নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের জনগণ। এর আগে রাজধানীতে দুই দফা জানাজার পর তার নিজ এলাকা নোয়াখালীর কবিরহাটও কোম্পানীগঞ্জে আরও ৩টি জানাজা শেষে তার ইচ্ছা অনুযায়ী তাকে বাবা-মায়ের পাশে সমায়িত করা হবে।

মওদুদ আহমদের ব্যক্তিগত সহকারী মমিনুর রহমান সুজন জানান, ঢাকার আনুষ্ঠানিকতা শেষে হেলিকপ্টারে করে মরদেহ কবিরহাট উপজেলায় নিয়ে আসা হয়। বাদ জুম্মা কবিরহাট সরকারি কলেজ মাঠ, বিকেল ৪ টায় বসুরহাট সরকারি কলেজ  মাঠ,  ৫টা ৩০ মিনিটে মানিকপুরের নিজ বাড়ির দরজায় জানাজা শেষে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে সমায়িত  করা হবে। 

এদিকে মওদুদ আহমদের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে সারাদেশের পাশাপাশি তার নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মানুষ শোকাহত পরিবেশ সৃষ্টি হয় । অনেকে ফেসবুকে আবেগঘন স্ট্যাটাস নিয়ে তার রুহের মাগফেরাত করেন। প্রিয় নেতার মৃত্যু স্তব্ধ করে দিয়েছে কোম্পানীগঞ্জবাসীকে। নোয়াখালী-৫ আসন (কোম্পানীগঞ্জ- কবিরহাট) থেকেই ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

বিএনপির এ নেতা মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে সিঙ্গাপুরে মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।