অন্যান্য বছরের মতো এবারও বৃষ্টিতে হাঁটু পরিমাণ পানিতে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল। বুধবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে রাতেই হাসপাতালে পানি উঠে যায়। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত হাসপাতালের নিচতলা পানিতে ডুবে থাকা অবস্থায় দেখা যায়। এতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে রোগী ও স্বজনদের।
এ সম্পর্কে জানতে চাইলে হাসপাতালের পরিচালক ডা. নুরুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘প্রতি বছর বর্ষায় মুষলধারে বৃষ্টির সঙ্গে জোয়ারের পানিতে হাসপাতালের নিচতলা তলিয়ে যায়। এটি অনেক আগে থেকে হয়ে আসছে। গতকাল রাতেও বৃষ্টিতে নিচতলায় পানি জমেছে।’
হাসপাতালে রোগীর স্বজন জিসান মাহমুদ বলেন, ‘পরশু ভাগনেকে নিয়ে হাসপাতালে এসেছিলাম। কাল রাতে বৃষ্টিতে পানি উঠে যাওয়ায় আমাদের আসা-যাওয়া করতে অনেক কষ্ট হয়েছে। হাঁটু পরিমাণ পানি ডিঙিয়ে ওষুধসহ জিনিসপত্র আনা-নেওয়া করেছি।’
হাসপাতালের পরিচালক নুরুল হক বলেন, ‘পানি ঢোকায় হাসপাতালের নিচতলায় থাকা শিশু ওয়ার্ড, জরুরি বিভাগ ও অভ্যর্থনা বিভাগের কাজে সমস্যার সৃষ্টি হয়। তবে পানি আসলে আমরা রোগীদের অন্য ওয়ার্ডে সরিয়ে নিই। গতকালও শিশু ওয়ার্ডে কয়েকজন রোগী ছিল, পানি ঢোকার পর আমরা তাদের চারতলায় সরিয়ে নিয়েছি।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘খুব তাড়াতাড়ি রোগী ও তাদের স্বজনরা এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবেন। হাসপাতালের কার্যক্রম স্থানান্তর করার পর এই দুর্ভোগ অনেক কমে যাবে। ওই ভবন অনেক উঁচু করে নির্মাণ করা হয়েছে। পুরাতন ভবনের নিচতলার কার্যক্রম ওই ভবনে সরিয়ে নেওয়া হবে। তবে এখন ওই ভবনে করোনা ইউনিট চালু করায় এগুলো সরিয়ে নেওয়া যাচ্ছে না।’