এদিকে, নারায়ণগঞ্জ পুলিশের একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায়, নিহত ৫ জনের মধ্যে তাসলিমা, মোর্শেদুল ওরফে মোশাররফ ও লামিয়ার মোবাইল ফোনের ভয়েস রেকর্ড তদন্ত করেই অগ্রসর হবে পুলিশ। এরইমধ্যে আটককৃতদের কাছ থেকে বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। যা তদন্তে সহায়ক হয়েছে। আর্থিক লেনদেন ও পারিবারিক সমস্যা দুটি ক্ষেত্রকে গুরুত্ব দিয়ে তারা এগোচ্ছেন।
এদিকে, রবিবার রাতে মামলাটি নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা থেকে ডিবিতে স্থানান্তর করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে মামলাটি তদন্ত করবে ডিবি পুলিশ।
গত শনিবার রাতে শহরের ২ নম্বর বাবুরাইলে ‘আশক আলী ভিলা’ নামে একটি ভবনের নিচতলার বাসার তালা ভেঙে তাসলিমা বেগম, তার ছেলে শান্ত (১০), মেয়ে সুমাইয়া (৫), ভাই মোরশেদুল ওরফে মোশাররফ (২৫) ও জা লামিয়ার (২৫) রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। শিশু দুটি ছাড়া অন্যদের গলায় কাপড় বা ওড়না প্যাঁচানো ছিল। প্রত্যেকের কপালের পাশে ছিল আঘাতের চিহ্ন।
ওই ঘটনায় রবিবার সকালে নিহত তাসলিমা বেগমের স্বামী মো. শফিকুল ইসলাম বাদি হয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
এতে শফিকুল ইসলামের ভাগ্নে মাহফুজসহ ৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এরইমধ্যে পুলিশ মাহফুজকে আটক করেছে।
/জেবি/এমএনএইচ/