বুধবার দুপুরে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব মেছবাহ উল আলম এসব ভূমি রেকর্ড ও জরিপ সংস্থার মহাপরিচালক আব্দুল জলিলের নিকট হস্তান্তর করেন।
সভায় সচিব মেছবাহ উল আলম বলেন, গত ৩১ জুলাই ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশের অভ্যন্তরের ১৬২ ছিটমহলের অধিবাসীদের দীর্ঘ ৬৮ বছরের বঞ্চনার ইতিহাসের সমাপ্তি ঘটে। মানুষ হিসেবে বন্দীদশা থেকে মুক্তি পেলেও এবার ভূমির মালিকানা থেকেও মুক্তি মিলল অধুনালুপ্ত ছিটমহলবাসীদের।
এ সময় লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদফতরের মহাপরিচালক আব্দুল জলিল। পরে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব মেছবাহ উল আলম, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদফতরের মহাপরিচালক আব্দুল জলিলসহ সফরসঙ্গীগণ পাটগ্রাম উপজেলার অভ্যন্তরে ভারতীয় অধুনালুপ্ত বিভিন্ন ছিটমহল পরিদর্শন এবং স্থানীয় অধিবাসীদের সঙ্গে সাক্ষাত করেন।
সভায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (জরিপ) রাফিউল আলম জানান, লালমনিরহাটের অধুনালুপ্ত ৫৯টি ছিটমহলে মোট ৩ হাজার ২৩৮ দশমিক ৭২ একর জমি রয়েছে। এরমধ্যে ২ হাজার ৭৩টি খানার মধ্যে মোট জনসংখ্যা রয়েছে ১০ হাজার ২৮৯জন। মোট খতিয়ান সংখ্যা হলো ৫ হাজার ৫৮৬টি। এছাড়া নীলফামারী জেলার ৪টি ছিটমহলে ১০৮ দশমিক ৫৩ একর জমি রয়েছে। এরমধ্যে ১১৯ খানার মধ্যে মোট জনসংখ্যা ৫৪৩ জন। মোট খতিয়ান ৪৭৬টি।
/আরএ/