আশুলিয়ার সেই বিরিয়ানিতে কুকুরের মাংস ছিল না

আশুলিয়ায় একটি খাবারের দোকানে বিরিয়ানিতে কুকুরের মাংস দেওয়ার অভিযোগে উঠেছিল। এরপর ওই বিরিয়ানি জব্দ করে পরীক্ষার পর জানা গেছে তাতে কুকুরের মাংস ছিল না। প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের কেন্দ্রীয় রোগ অনুসন্ধান গবেষণাগারে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা পরীক্ষা শেষে এই রিপোর্ট দিয়েছেন।

এ বিষয়ে রবিবার (১২  জুন) সাভার উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো সাজেদুল ইসলাম জানান, অভিযোগ ওঠার পর আশুলিয়া থেকে জব্দ করা ওই মাংস সাভার উপজেলায় তার অফিসে পাঠানো হয়। তবে তাদের কোনও ল্যাব না থাকায়  পরীক্ষা করার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। পরে শনিবার রাতে মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. গোলাম আজম চৌধুরীর সই করা একটি রিপোর্ট তাদের হাতে আসে। এতে পিসিআর টেস্ট ও মলিক্যুলার টেস্ট করে দেখা গেছে সেটি কুকুরের মাংস নয়। পরীক্ষার মাধ্যমে তারা নিশ্চিত হয়েছেন, ওই মাংস গবাদিপশু বা তৃণভোজী প্রাণী যেমন গরু, ছাগল বা ভেড়ার।

আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুব্রত রায় বলেন, ‘প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের গবেষণাগার থেকে একটি রিপোর্ট দিয়েছেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা। তারা জব্দ করা মাংস কুকুরের নয় বলে নিশ্চিত করেছেন।’

এ ব্যাপারে আল্লাহর দান বিরিয়ানি হাউজের মালিক রাজিব জানান, আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় তাদের সাতটি শাখা রয়েছে। দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠার কারণে একটি চক্র মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে তাদের বিরিয়ানি দোকানের সুনাম নষ্ট করেছে। তার এই ব্যবসায়িক ক্ষতি করার জন্য তিনি ওই চক্রের বিচার দাবি করেন।

এর আগে, গত ১৫ মে আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকায় আল্লাহর দান বিরিয়ানি হাউস -৫ নামে ওই দোকানের বিরিয়ানিতে কুকুরের মাংস দেওয়া হয়েছে বলে সন্দেহ করেন এক ব্যক্তি। পরে এই ঘটনায় দোকান মালিক রাজিবকে গ্রেফতার করে ৫৪ ধারায় আদালতে পাঠানো হয়। এ ছাড়াও হোটেল থাকা মাংস জব্দ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।