ধর্ষিতা ও তার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ৩১ জানুয়ারি রাত সাড়ে আটটার দিকে ওই গার্মেন্ট শ্রমিক (১৪) কাজ শেষে উপজেলার পাঁচগাও করপাড়া এলাকার বাড়িতে ফিরছিলেন। উপজেলার সত্যবান্দি নয়াপাড়া এলাকায় পৌঁছালে স্থানীয় ৩/৪ জন যুবক তাকে রাস্তার পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে গণধর্ষণ করে। পরে ওই নারীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়নি বলে স্বীকারোক্তি আদায় করে মোবাইলে রেকর্ড করে রাখে ধর্ষণকারীরা। পরবর্তীতে ধর্ষিতাকে রাস্তায় এনে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ধর্ষিতা তাৎক্ষণিক ধর্ষণের কথা তার পরিবারকে জানায়নি। কিন্তু রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় পরদিন ১ ফেব্রুয়ারি বিকালে পরিবারকে সে ধর্ষণের কথা জানায়। পরে ২ ফেব্রুয়ারি তাকে প্রথমে আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করা হয়। পরে বুধবার দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
পুলিশ ওই ঘটনায় ৫ জনকে আটক করেছে। তারা হলেন, নয়াপাড়া বাড়ি এলাকার মামুন (২২),রাজিব প্রধান (২০), মোমেলা বেগম (২৫), বিউটি (২৪) ও হেনা (৩২)।
আড়াইহাজার থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেন জানান,অভিযোগ পেয়ে ৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
/জেবি/এপিএইচ