পদ্মার চরে ঘুড়ি উৎসবে হাজারো মানুষ

ফরিদপুর সদর উপজেলার ডিক্রিরচর ইউনিয়নের ধলার মোড়ে পদ্মা নদীর চরে ঘুড়ি উৎসবে হাজারো মানুষের ঢল নেমেছিল। শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকালে ‘চলো হারাই শৈশবে’ এই স্লোগানে ষষ্ঠ বারের মতো ঘুড়ি উৎসবে যোগ দেন কয়েক হাজার মানুষ।

প্রতিযোগীরা বিভিন্ন আকার ও রঙের ঘুড়ি নিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নেনউৎসবের উদ্বোধন করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল আহসান তালুকদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান, ফরিদপুর পৌরসভার মেয়র অমিতাভ বোস।

ব্যতিক্রমী এ আয়োজন করে ফরিদপুরবাসীর ফেসবুক পেজ ‘ফরিদপুর সিটি গ্রুপ’। এতে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে শতাধিক প্রতিযোগী বিভিন্ন আকার ও রঙের ঘুড়ি নিয়ে অংশ নেন।

পরিবারের সবাইকে নিয়ে এ আয়োজন উপভোগ করেন অনেকেটিম ফরিদপুর সিটির সভাপতি এমদাদুল হাসান বলেন, ‘এ উৎসবে বিজয়ী ১৫ জন প্রতিযোগীকে মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন ধরনের পুরস্কার দেওয়া হয়। ঘুড়ি উৎসবের পাশাপাশি রাতে ফানুস উৎসবের আয়োজন করা হয়।

তিনি আরও বলেন, ‘উৎসবে ঘুড়ি ওড়ানোর পাশাপাশি বিক্রিরও ব্যবস্থা ছিল। বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সহস্রাধিক ঘুড়ি বিক্রি হয়েছে। এ ঘুড়ি উৎসব দেখতে এবং প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে ফরিদপুর শহর ছাড়াও এসেছিলেন বিভিন্ন উপজেলার লোকজন।

উদ্বোধন করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল আহসান তালুকদারঘুড়ি উৎসব দেখতে আসা অনার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থী সাদমান বলেন, ‘ঘুড়ি উৎসব দেখতে এসে জনতার চাপে দিশেহারা অবস্থার সৃষ্টি হয়। ইজিবাইকে এসে উৎসবের দুই কিলোমিটার দূরে নামতে হয়েছে। তারপরও প্রাণের আবেগে হেঁটে হেঁটে উৎসবস্থলে পৌঁছাই।’

প্রতিযোগিতায় ঘুড়ি বিক্রি হয়েছে সহস্রাধিকজেলা প্রশাসক বলেন, ‘এই উৎসবের সঙ্গে বাঙালির আবেগ জড়িত। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগামীতে জেলার সব উপজেলাতে এ ধরনের আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।