এছাড়া ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ওই মেয়েকে বরিশাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন প্রধান আসামি সাঈদ সেরনিয়াবাত, শাহাদাত হোসেন মৃধা ও সহযোগী পুষ্প বেগম।
আগৈলঝাড়া থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, ধর্ষণের ঘটনায় সোমবার রাতে ওই গার্মেন্ট কর্মী বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা করেন। পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত দুই ধর্ষক ও এক নারীকে গ্রেফতার করে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গৌরনদী উপজেলার বড় কসবা গ্রামের ওই মেয়ে (১৯) ঢাকায় গার্মেন্টসে কাজ করতেন। সেখানে পরিচয়ের সূত্রধরে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব হয় গৌরনদীর উত্তর পালরদী গ্রামের জাহিদ হোসেনের (২৬)। জাহিদ হোসেন ওই মেয়েকে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে রবিবার সন্ধ্যায় মাহিলাড়া গ্রামে নিয়ে তার বন্ধু কামরুল হাওলাদার ও সাঈদ সেরনিয়াবাতের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। ওইদিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে জাহিদ হোসেন, কামরুল হাওলাদার ও সাঈদ সেরনিয়াবাত তিন বন্ধু মেয়েটিকে নিয়ে আগৈলঝাড়া উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের দত্তেরাবাদ গ্রামে হুমায়ুন কবিরের স্ত্রী পুষ্প বেগমের বাড়িতে যান। সেখানে ওই তিন বন্ধুর সঙ্গে যুক্ত হন স্বপন হাওলাদার, সুজন মিয়া, শাহাদাত ভূঁইয়াসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩/৪ জন।
ধর্ষিতা অভিযোগ করেন, ওই যুবকরা তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে আটকে রাখে। তিনি সোমবার গভীর রাতে পালিয়ে আগৈলঝাড়া থানায় গিয়ে সাতজনের নাম উল্লেখসহ ৮/১০ জনের বিরুদ্ধে একটি গণধর্ষণ মামলা করেন।
/বিটি/ টিএন/আপ-এআর/