মুক্তিযুদ্ধ সংশ্লিষ্ট আইন বিশ্বের ২৬টি দেশে আছে উল্লেখ করে তিনি জানান, বাংলাদেশেও জাতীয় ট্রাজেডি নিয়ে কটাক্ষ বন্ধে আইন করার চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। আইনটি হলে কেউ শহীদদের সংখ্যা নিয়ে কটাক্ষ বা খুনিদের পক্ষে সাফাই গাইতে পারবে না।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি দাবি করেন, প্রথম ধাপে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে জঙ্গিবাদী-রাজাকার সরকারকে উৎখাত করা হয়েছে। এবারে দ্বিতীয় ধাপে বাংলাদেশকে একটি বৈষম্যমুক্ত, নিরবচ্ছিন্ন গণতান্ত্রিক সমৃদ্ধশালী দেশ হিসেবে গড়তে কাজ করা হচ্ছে। তবে এ কাজটি করতে রাজাকার সমর্থিত জঙ্গি নেতা খালেদা জিয়া একটি বড় বাধা। আগুনসন্ত্রাসী খালেদা জিয়া এখন বাংলাদেশকে আবারও দখলের চেষ্টা করছেন দাবি করে তিনি জানান, তাদের এ চক্রান্ত ব্যর্থ করতে হবে।
মিডিয়া সংক্রান্ত সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। সরকারের অধীনে কখনোই গণমাধ্যম থাকবে না দাবি করে তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন বেসরকারি টিভি চ্যানেল বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কাজ করলেও দেশের খেটে খাওয়া মানুষ, নারী, শিশু ও সব মানুষের উন্নয়নে একমাত্র বিটিভিই কাজ করে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষ্টি-সংস্কৃতি ও মেধাকে জাতির সামনে তুলে ধরার মাধ্যমে দেশকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিতে দ্রুত দেশের প্রত্যেকটি বিভাগে স্বাধীন সরকারি টিভি কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০১৭ সালের মধ্যে এসব কেন্দ্র সম্প্রচারে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
/বিটি/এএইচ/
আপ: এইচকে