খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীদের উচিত দল থেকে কুলাঙ্গারদের বিদায় করা। খালেদা জিয়া আর তারেক রহমান তাদের মধ্যে পড়ে। যারা বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ডাককে অস্বীকার করে, মুজিবনগর দিবসকে অস্বীকার করে, মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বির্তক সৃষ্টি করে, তাদের বিএনপি থেকে বিদায় করে নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি করতে হবে।
খালেদা জিয়াকে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স-এর অ্যাজেন্ট হিসেবে আখ্যায়িত করে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন বাংলাদেশকে জঙ্গি ও সন্ত্রাসী রাষ্ট্র বানিয়ে দেশের অর্থনীতিকে ধংস করে দিয়ে উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত করছেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আমি জানতে পেরেছি রংপুর অঞ্চলে ধান-চাল ক্রয় মৌসুমে প্রকৃত অনেক কৃষক তাদের উৎপাদিত ধান বা চাল বিক্রি করতে পারছেন না। খাদ্য বিভাগে এক শ্রেণির মধ্য স্বত্বভোগীর দৌড়াত্বে তারা অসহায়। তিনি খাদ্য কর্মকর্তাদের এসব মধ্যস্বত্ব ভোগীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে তাদের দৌড়াত্ব বন্ধ করতে হবে।
খাদ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক বদরুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহাম্মেদ, রংপুর সিটি মেয়র শরফ উদ্দিন আহাম্মেদ ঝন্টুসহ অন্যান্য নেতারা।
/এইচকে/এএইচ/আপ-এআর/