এদিকে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে মাহফুজা আক্তার শীলা তাদের বাড়ির আঙিনায় পৌঁছান। তখন তার বাড়ির আঙিনায় স্থানীয়দের ভিড়। এসময় বাড়িতে ঢুকেই অঝোর ধারায় তিনি কাঁদতে শুরু করলেন। কথা বলতে গিয়েও বলতে পারছিলেন না। থেমে থেমে বললেন, ‘সবার সহযোগিতায় আমি আজ এ অবস্থানে আসতে পেরেছি। আমার অর্জন নওয়াপাড়াবাসীর অর্জন, গোটা দেশের অর্জন।’
বাড়িতে তখন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ হাজারো মানুষের ভিড়। কেউ এসেছেন চেনামুখকে নতুন করে দেখতে, কেউ বা এসেছেন তাকে স্বাগত জানাতে। তার চোখে পানি দেখে স্তব্ধ আর নির্বাক হয়ে যান আগতরা; তাদের চোখের কোণাটাও চিক চিক করে ওঠছে। ভারি হয়ে ওঠে বাতাস। সৃষ্টি হয় আবেগঘন পরিবেশের।
এর আগে দুপুরে তিনি ঢাকা থেকে যশোরে পৌঁছালে সেখানে তাকে জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়। এরপর বিকেল ৫টার সময় প্রেমবাগ মোড়ে এবং সোয়া ৫টার দিকে পাঁচকবর এলাকায় পৌঁছালে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, এলাকাবাসী ও কয়েকটি স্কুলের ছাত্রছাত্রী এবং বাদক দল ঢাকঢোল পিটিয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান।
শীলার আগমন উপলক্ষে যশোর-খুলনা মহাসড়কের বিভিন্নস্থানে শুভেচ্ছা জানিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে তোরণ। নওয়াপাড়ায় বিভিন্ন রাস্তায় পাশে সাঁটানো হয়েছে ব্যানার, প্লাকার্ড ও পতাকা।
/এএইচ/আপ-এআর/