মে দিবস খুলনা মহানগর ও জেলা শ্রমিক দলের র্যালি পুলিশের বাধায় পণ্ড হয়েছে। এ সময় পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে অভিযোগ করেছেন বিএনপি নেতারা। এ ঘটনায় ১০-১৫ জন শ্রমিক আহত হয় বলেও দাবি করে বিএনপি। পুলিশ দুই জনকে আটক করেছে। সোমবার (১ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর স্টেশন রোডে এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় খুলনা মহানগর শ্রমিক দলের সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম শফি এবং সদস্য ইসলাম খলিফাকে আটক করা হয়েছে।
খুলনা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আল মামুন বলেন, ‘অনুমতি না নিয়ে তারা রাস্তা আটকে কর্মসূচি পালন করছিলেন। আমরা তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছি। এ সময় দুই জনকে আটক করা হয়েছে।’
এ ঘটনার পর দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে নগর বিএনপির আহ্বায়ক এসএম শফিকুল আলম মনা এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘মে দিবস উপলক্ষে পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী সকালে দলীয় কার্যালয়ের সামনে শ্রমিক সমাবেশ এবং র্যালির আয়োজন করে নগর ও জেলা শ্রমিক দল। বিষয়টি সাত দিন আগে পুলিশকে অবহিত করা হয়। আজকের দিনে অন্যান্য শ্রমিক সংগঠন, প্রতিষ্ঠান কর্মসূচি পালন করবে অথচ শ্রমিক দল করতে পারবে না। একটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির অধিকার আছে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড করার। অথচ আজ সকাল থেকে বিএনপি অফিসের প্রবেশদ্বারে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। দলীয় কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে। পরে খুলনা রেল স্টেশন রোডে শ্রমিক দলের র্যালিতে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে। একই সঙ্গে শ্রমিক দলের দুই নেতাকে আটক করা হয়েছে। পুলিশের লাঠিচার্জে বেশ কিছু নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।’
প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও বলা হয়, যেখানে শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের দিনে কর্মসূচি পালন করা যায় না, সেখানে এই সরকারের অধীনে কেসিসি নির্বাচনে বিএনপি কীভাবে অংশ নেবে। কোনোভাবেই সম্ভব নয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন– মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, স ম আব্দুর রহমান, কাজী মাহমুদ আলী, শের আলী সান্টু, আবুল কালাম জিয়া, বদরুল আলম খান, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, শেখ সাদী, আব্দুর রাজ্জাক, কে এম হুমায়ুন কবির, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস প্রমুখ।