ভারত থেকে আসা বন্ধন এক্সপ্রেসে অভিযান

কলকাতা-খুলনা রেলপথে চলাচল করা ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’ ট্রেনে চোরাচালান বন্ধে অভিযান চালিয়েছে টাস্কফোর্স। রবিবার (৪ জুন) সকালে ভারত থেকে যশোরের বেনাপোল রেল স্টেশনে ট্রেনটি পৌঁছানোর পর এ অভিযান চালানো হয়। 

জানা যায়, ১৫১ জন যাত্রী নিয়ে ভারতের কলকাতা থেকে ছেড়ে আসা ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি সকাল ১০টার দিকে বেনাপোল রেলস্টেশনে প্রবেশের আগেই বিজিবি সদস্যরা ওই এলাকা ঘিরে রাখেন। পরে স্টেশনে অবৈধভাবে প্রবেশ এবং চোরাচালানে সহায়তার অভিযোগে ডলি খাতুন নামে একজন নারীকে আটক করা হয়। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে একমাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া বেশকিছু যাত্রীর কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকার চোরাচালানের মালামাল আটক করা হয়।

সাধারণ যাত্রীরা জানান, সপ্তাহে রবি ও বৃহস্পতিবার কোলকাতা-খুলনার মধ্যে চলাচল করা এই ট্রেনটি এখন চোরাচালানিদের দখলে চলে গেছে। এ দুদিন ট্রেনের অধিকাংশ যাত্রীই চোরাচালানের পণ্য বহন করে থাকে। বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চোরাচালানিরা। ফলে আন্তর্জাতিক রেল সেবাতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরা। প্রতি রবি ও বৃহস্পতিবার কাস্টমস, বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাবসহ বিভিন্ন সংস্থা অভিযান পরিচালনা করলেও নিয়ন্ত্রণে আসছে না চোরাচালান। একটি সিন্ডিকেটের সহযোগিতায় তারা এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে।

অভিযানে অংশ নিয়ে যশোর ৪৯ বিজিবির কমান্ডিং অফিসার আহমেদ হাসান জামিল বলেন, ‘আমরা চোরাচালান বন্ধে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছি। বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেনে চোরাচালান শূন্যের কোঠায় আনা হবে।’

অভিযানের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন– খুলনা বিজিবির ডেপুটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার নামজুল হাসান, সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মামুনুর রশিদ, অপস অফিসার মুজাহিদ, শার্শা উপজেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা ইসলাম, কাস্টমস কর্মকর্তা সাইফুর রহমান মামুনসহ আইন প্রয়োগকারী বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা।