দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ইটাগাছা গ্রামের আব্দুর রহমান মাস্টারের ছেলে শফিউল্লাহ ওরফে তারেক ওরফে আবুল কালাম এবং নওগাঁর সারকডাঙ্গা এলাকার হাজি আব্দুস সাত্তারের ছেলে শহিদুল্লা ওরফে মাহবুব।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এন্তাজুল হক বাবু জানান, ২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার রায় দেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে জেএমবি ক্যাডার মামলার প্রধান দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। এছাড়া মামলার অপর ৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেন আদালত।
আসামিরা এই রায়ের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করলে মামলাটি পুনর্বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।
এন্তাজুল হক বাবু আরও জানান, মামলাটি ট্রাইব্যুনালে আসার পর প্রত্যক্ষদর্শী দুইজন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর ভোরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সংলগ্ন বিনোদপুর এলাকার তার বাসা থেকে ৩০০ গজ দূরে আসামিরা ছুরিকাঘাত করে ড. ইউনুসকে হত্যা করে। এ ঘটনায় ড. ইউনুসের ভাই আব্দুল হালিম বাদি হয়ে ওই দিনই নগরীর মতিহার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০০৭ সালের ১০ সেপ্টেম্বর তদন্ত শেষে ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। ২০০৯ সালের ২৫ আগস্ট মামলাটি বিচারের জন্য দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে আসে। তখন এই মামলায় ২৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
/জেবি/এফএস/