খুমেক হাসপাতালে ইন্টার্নি চিকিৎসকদের কর্মবিরতি সাময়িক প্রত্যাহার

ওষুধ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতাল শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনার ৭২ ঘণ্টা পর কর্মবিরতি সাময়িক প্রত্যাহার করেছেন ইন্টার্নি চিকিৎসকরা। পুলিশ দুই ব্যবসায়ীকে গ্রেফতারের পর ১৭ আগস্ট দুপুরে এ কর্মবিরতি প্রত্যাহার করা হয়।

খুমেক হাসপাতাল ইন্টার্নি চিকিৎসক পরিষদ সভাপতি ডা. সাইফুল ইসলাম অন্তর ১৭ আগস্ট এক বিবৃতিতে কর্মসূচি সাময়িক স্থগিতের ঘোষণা দেন। বিবৃতিতে বলা হয়, সিটি মেয়রের আশ্বাসে জনভোগান্তি বিবেচনা করে কর্মসূচি সাময়িক প্রত্যাহার করা হলো। তবে শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিগুলো বাস্তবায়নে আন্দোলনে ইন্টার্নি চিকিৎসক পরিষদের সমর্থন থাকবে।

সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোমতাজুল হক জানান, বৃহস্পতিবার ভোররাতে সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় অভিযুক্ত বিল্লব মেডিসিন কর্নারের মালিক এস এম মাহমুদুর রহমান বিপ্লব (৩০) এবং আবিদ ফার্মেসির কর্মচারী মীর বায়েজিদকে (২০) গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় খুলনা মেডিক্যাল কলেজের সচিব মো. মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে ১৬ আগস্ট রাতে সোনাডাঙ্গা থানায় মামলা করেন। মামলায় চার জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত ৫০ জন ওষুধের দোকানিকে আসামি করা হয়েছে। মামলা দায়েরের পর বিপ্লব ফার্মেসির মালিক মাহমুদুর রহমান বিপ্লব (৩০) এবং আবিদ ফার্মেসির কর্মচারী মীর বায়েজিদকে (২০) গ্রেফতার করে পুলিশ।’

খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. রবিউল হোসেন জানান, শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী শিগগিরই হাসপাতালে মডেল ফার্মেসি চালু করা হবে। হামলাকারীদের গ্রেফতার এবং হাসপাতালের মধ্যে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছেন।

উল্লেখ্য, খুলনা মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে ১৪ আগস্ট রাত থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করে খুমেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন পরিষদের সভাপতি ডা. সাইফুল ইসলাম অন্তর।