তারা হলো বগুড়ার শেরপুরের বালেন্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ভবানীপুর গোড়তা গ্রামের আনন্দ চন্দ্রের মেয়ে প্রিয়া বালা (১২) ও পঞ্চম শ্রেণিল ছাত্রী একই গ্রামের উকিল চন্দ্রের মেয়ে শারতী বালা (১৪)।
ব্র্যাকের মানবাধিকার ও আইন সহায়তা কেন্দ্রের (লিগ্যাল এইড) প্রকল্প কর্মকর্তা রমজান আলী সাংবাদিকদের জানান,শেরপুরের জয়নগর গ্রামের মধুসূদন সিংয়ের ছেলে উজ্জ্বল সিংহের (২৪) সঙ্গে প্রিয়া বালার এবং কেশবপুর গ্রামের সুশীল চন্দ্রের ছেলে শ্যাম চন্দ্রের (২৬) সঙ্গে শারতী বালার বিয়ে ঠিক হয়।সোমবার সন্ধ্যায় তাদের বিয়ে হবার কথা ছিল। সকালে খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একেএম সরোয়ার জাহান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সালমা ইসলাম শেফা ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পরিবারকে বুঝিয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান,সকালে দুই পরিবারের সদস্যরা বিয়ে না দেওয়ার ব্যাপারে অঙ্গীকার করলেও সন্ধ্যায় আবার বিয়ের আয়োজন করেন। খবর পেয়ে শেরপুর থানার পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।
এসআই রাজু কামাল জানান, রাত সাড়ে ৭টার দিকে গোড়তা গ্রামে গেলে দুই পরিবারের লোকজন পালিয়ে যায়। ফলে দু’টি বাল্য বিয়ে ভুণ্ডুল হয়ে যায়।
এনএইচএন /এমএসএম