নিউইয়র্কে মজুরি বাড়লে আমরাও তাদের পথ অনুসরণ করবো: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশে শ্রমিকদের বেতন বাড়ানো মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যদের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ‘নিউইয়র্কে প্রতি ঘণ্টায় মজুরি ১৫ ডলার। তারা যদি বাড়িয়ে ৪৫ ডলার করতে পারে তখন আমরাও তাদের পথ অনুসরণ করবো।’ বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) সিলেটে নির্বাচনি প্রচার শুরুর সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা কোনও সংঘাত চাই না। আমরা শান্তি ও স্থিতিশীলতা চাই এবং গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে চাই।’

সরকারি অফিসে হয়রানির প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তদবির ছাড়া আমাদের দেশে কোনও কাজ হয় না। সারাক্ষণ তদবির করতে হয়। তদবিরের অভাবে সিলেটের অনেক অনুমোদিত প্রকল্পের কাজও আটকে আছে। এটি একটি বড় সমস্যা। আরকেটি বড় সমস্যা হলো, কিছু অসৎ সরকারি কর্মচারী। সবাই যে অসৎ এমন নয়। তবে অনেকেই অসৎ আছে। যেমন পাসপোর্ট অফিসে যান, দেখবেন মানুষকে অনেক হয়রানি করা হচ্ছে। আগামীতে ক্ষমতায় এলে আমরা হয়রানি বন্ধ করবো।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের এখানে ওয়াইফাই সিটি হয়েছে। কিন্তু যেমনটি আমি চেয়েছি সেরকম হয়নি। আমাদের তারবিহীন শহর গড়ার কাজও আটকে আছে। যদিও এটি অনুমোদিত প্রকল্প।’

নৌকা বাংলার জনগণের আস্থার প্রতীক উল্লেখ করে ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘নৌকা উন্নয়নের প্রতীক। তাই আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে জনগণ দলে দলে নৌকায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করবে। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থাকে সমুন্নত রেখে উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে নৌকার কোনও বিকল্প নেই।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘জ্বালাও-পোড়াও-হত্যা কোনও সুষ্ঠু রাজনীতির অংশ হতে পারে না। বিএনপির নেতৃত্বে পরিপক্বতার অভাব রয়েছে বলেই তারা ধ্বংসাত্মক ও হিংসার রাজনীতি শুরু করেছে।’