মালিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দের বৈঠকে সমঝোতা না হওয়ায় রাজশাহী বিভাগের বাস, কোচ ও মিনিবাস রংপুর বিভাগে যাচ্ছে না। দুই দিন ধরে দুই বিভাগের মধ্যে পরিবহন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তবে ঢাকাগামী বাস-কোচ চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজশাহী বিভাগের কোনও গাড়ি রংপুর বিভাগে যায়নি। রাজশাহীসহ সাত জেলার গাড়ি বগুড়ায় এসে আবার যাত্রী নিয়ে ফিরে যায়। তারা বগুড়া পেরিয়ে রংপুরের আট জেলায় যায়নি।
রাজশাহী বিভাগীয় সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম জানান, গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে স্থানীয় মালিক ও শ্রমিক সমিতির নামে কুড়িগ্রাম থেকে আসা বাস চলাচলে বাধা দেওয়া এবং চাঁদাবাজি করা হয়। এর প্রতিবাদে কুড়িগ্রাম, রংপুরের সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে রাজশাহী বিভাগের কোনও বাস, কোচ ও মিনিবাস রংপুর বিভাগে চলাচল না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফলে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজশাহী বিভাগের বগুড়াসহ আট জেলার বাস, মিনিবাস ও কোচ রংপুর বিভাগে যাচ্ছে না। চাঁদাবাজি পুরোপুরি বন্ধ ও বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান না হলে রংপুর বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ থাকবে।
রাজশাহী পরিবহন মালিক সমিতির সহ-সভাপতি এবং বগুড়া বাস, মিনিবাস ও কোচ সমিতির কার্যকরী সভাপতি তৌফিক হাসান ময়না জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ বিষয়ে রংপুর মালিক সমিতির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভা কোনও সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে। ওই সভায় নীলফামারী, কুড়িগ্রাম ও সৈয়দপুরের পরিবহন মালিক এবং শ্রমিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। শনিবার বেলা ২টার দিকে আবারও বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। তবে ঢাকাগামী কোচ যথারীতি চলাচল করছে। তিনি আশা করেন, ওই সভায় এ অচলাবস্থা নিরসন হবে।