এর আগে রবিবার সকালে মোবারককাঠি গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়।
ধৃতরা হলো যশোর সদরের মোবারককাঠি গ্রামের সাকের আলী মোড়লের ছেলে সাকিল হোসেন রাসেল ও রফিকুল ইসলাম পুটের ছেলে রাশেদ।
এদিকে, সন্ধ্যায় অপর আসামি জাকারিয়াকে আটক করেছে পুলিশ। জাকারিয়া মোবারককাঠি গ্রামের কাওছার জুলার ছেলে।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, গত ৩ মার্চ রাত সাড়ে ১২টার দিকে শারীরিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ওই তরুণী ঘরের বাইরে যায়। এ সময় আসামিরা তার মুখ চেপে ধরে পাশের প্রফেসরের পরিত্যক্ত ইটভাটায় নিয়ে যায়। এরপর তিনজন তাকে ধর্ষণ করে। মেয়েটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সবাই পালিয়ে যায়। তবে বৈদ্যুতিক আলোয় ওই ধর্ষকদের দেখে চিনে ফেলেন প্রতিবেশীরা।
এ ব্যাপারে পরদিন তরুণীর বাবা বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় তিনজনকে আসামি করে সংঘবদ্ধ এই ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা করেন। পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার সকালে ওই দুজনকে আটক করে। এরপর রাশেদ ও রাসেলকে আদালতে সোপর্দ করলে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।
জবানবন্দীতে তারা উল্লেখ করেছেন, গত বুধবার রাত ৮টার দিকে জাকারিয়া তাদের তিনজনকে কাজ আছে বলে জানায়। ফোন পেলে যেন সবাই চলে আসে- এ কথা বলে। রাত ১২টার দিকে জাকারিয়া সবাইকে ফোন করে ডেকে নিয়ে ওই প্রতিবন্ধী তরুণীর বাড়ির পেছনে অবস্থান নেয়। মেয়েটি ঘরের বাইরে এলে মুখ চেপে তাকে পরিত্যক্ত ইটভাটায় নিয়ে যায়। এরপর তারা চারজন তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
কোতোয়ালি থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন জানিয়েছেন, পলাতক আসামিকে আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
/এএইচ/আপ-এনএস/