সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে তৃতীয় দিনের মতো রেলপথ অবরোধ করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার (১২ জুলাই) বিকাল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেশন বাজার সংলগ্ন রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী রেলপথ অবরোধ করেন তারা।
সরেজমিন দেখা যায়, শুক্রবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে মিছিল নিয়ে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে একত্র হয়ে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে স্টেশন বাজার সংলগ্ন রেলপথ অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। এতে রাজশাহীর সঙ্গে দেশের সব স্থানের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা, ’১৮-এর হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আবার’, ‘দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’, ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে’, ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’সহ কোটাবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
আন্দোলনকারীদের দাবি হলো– সরকারি চাকরির সব গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করা এবং সংবিধানে উল্লিখিত অনগ্রসর গোষ্ঠী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের জন্য কোটাকে ন্যায্যতার ভিত্তিতে সর্বোচ্চ পাঁচ শতাংশ করে সংসদে আইন পাস করে কোটা পদ্ধতির সংস্কার।
কমর্সূচিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় নয়, কোটা সংস্কারের আন্দোলন করতে গিয়ে সর্বপ্রথম আমাদের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভাই আহত হয়েছেন। আমরা এর বিচার চাই। এ ছাড়া সব সরকারি চাকরিতে আমরা কোটার যৌক্তিক সমাধান চাই। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা ২ শতাংশ, উপজাতি ২ শতাংশ এবং ১ শতাংশ প্রতিবন্ধী কোটা রাখা যেতে পারে। আমরা ২০১৮ সালের পরিপত্রের মতো আর রিট রিট খেলা দেখতে চাই না। আমরা সরাসরি সংসদে আইন পাসের মাধ্যমে এর সমাধান চাই।’