বগুড়ার গাবতলীর মহিষাবান গ্রামে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী নিশা আকতারের (১৪) বাল্য বিয়ে ভণ্ডুল করে দেওয়া হয়েছে। আর কনের বাবাকে এক হাজার টাকা জরিমানা করেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান হাবিবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার এ সাজা দেওয়া হয়।
এছাড়া কনের বাবাকে বাল্য বিয়ের কুফল সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে গ্রামে মাইকিং-এর নির্দেশ দেওয়া হয়।
বেসরকারি সংস্থা ভেনচার ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ফজিলাতুলন নেছা ফৌজিয়া জানান, গাবতলীর মহিষাবান পূর্বপাড়া গ্রামের বেলাল হোসেনের সঙ্গে প্রতিবেশি মাছ ব্যবসায়ী নিলু প্রামানিকের মেয়ে সপ্তম শ্রেশির ছাত্রী নিশা আকতারের বিয়ে ঠিক হয়। বিষয়টি জানতে পেরে উভয়পক্ষের অভিভাবকদের বাল্য বিয়ের কুফল সম্পর্কে অবহিত করা হয়। এরপরও তারা বিয়ের চেষ্টা করছিলেন।
গাবতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানালে তিনি নোটিশ করে বৃহস্পতিবার দুপুরে কনের বাবা নিলু প্রামানিক ও মা জোসনা বেগমকে তার কার্যালয়ে ডেকে আনেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত স্কুল ছাত্রী মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করায় বাবা নিলু প্রামানিককে এক হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া তাকে বাল্য বিয়ের কুফল গ্রামবাসীকে জানিয়ে সচেতন করতে মাইকিং-এর নির্দেশ দেওয়া হয়।
জোসনা বেগম তার মেয়ে নিশার বয়স ১৭ বছর দাবি করে বলেন, আগেই বিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। এরপরও আদালত জরিমানা করেছে। এছাড়া বাল্য বিয়ে বন্ধ করতে গ্রামে মাইকিং করতে বলেছেন। বৃহস্পতিবার কথাগুলো রেকর্ড করিয়ে নেওয়া হয়েছে, আজ শুক্রবার মাইকিং করা হবে।
/এসটি/