নারা
ওই মামলায় অভিযুক্তরা হলেন নূর হোসেন, রফিকুল ইসলাম রতন, আমিনুল, রোস্তম আলী, জাকির ও সুন্দর আলী। আসামিরা সবাই নূর হোসেনের ঘনিষ্ট সহযোগী।
নিহতের নাম টিপু সুলতান। সে ২০০৩ সালে বাংলাদেশ আইডিয়াল কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছিল।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, সিদ্ধিরগঞ্জের উত্তর আজিবপুর কাজী বাড়ি এলাকার মৃত জুলহাস কাজীর ছেলে কাজী আক্তার হোসেনের কাছে গত ২০০৬ সালের ২০ আগস্ট ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে নূর হোসেন ও তার সহযোগীরা। চাঁদা না দেওয়ার জের ধরে একই বছর ২৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে আক্তার হোসেনের ছেলে কাজী টিপু সুলতানকে আসামিরা তুলে নিয়ে হত্যা করে শীতলক্ষ্যার নদীতে ফেলে দেন। সাত খুনের ঘটনার পর ২০১৪ সালের ২০ মে নিহতের বাবা কাজী আক্তার হোসেন বাদী হয়ে নূর হোসেনকে প্রধান আসামি করে রফিকুল ইসলাম রতন, আমিনুল, রোস্তম আলী, জাকির ও সুন্দর আলীর নামে ৩৮৫, ৩০২, ২০১, ৫০৬, ৩৪ ধারায় মামলা দায়ের করা করেন।
ওই মামলাটি গ্রহণ করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশকে তদন্তের জন্য আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। পরবর্তী সময়ে আসামিদের কোনও সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বলে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। এতে কাজী আক্তারের মামলা থেকে অভিযুক্ত সবাইকে অব্যাহিত দেওয়া হয়।
বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান জানান, আদালতে দায়ের করা মামলায় নূর হোসেনসহ ৬ জনকে আসামি করা হয়। ওই মামলাটি তদন্তের সময় থানা পুলিশ প্রভাবিত হয়ে আসামিদের নাম বাদ দিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। আদালতে ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে বাদি নারাজি পিটিশন দায়ের করেছেন। ওই সময়ই মামলার তদন্ত অন্য কোনও সংস্থাকে দেওয়ার আবেদন করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক গোলাম হোসেন জানান, আদালত তাৎক্ষণিক আদেশ দেননি।
উল্লেখ্য, সাত খুন মামলার প্রদান আসামি নূর হোসেনের বিরুদ্ধে দায়ের করা ১২ লাখ টাকার একটি চাঁদাবাজি মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। গত সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কেএম মহিউদ্দিনের আদালতে হাজির হয়ে বাদী চুনা ব্যবসায়ী মুরাদ হোসেন মামলাটি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এ নিয়ে নূর হোসেনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়া হলো।
/জেবি/এমএনএইচ/