জয়পুরহাট চারুকলা উৎসব, ছবি দেখে মুগ্ধ শিশুরা

ছবি আঁকছে শিশুরাপাঁচ দিনব্যাপী জয়পুরহাট চারুকলা উৎসবের আর্টক্যাম্পে দেশের বরেণ্য চিত্রশিল্পীদের আঁকা ছবি দেখে উচ্ছ্বসিত প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা।
পাশাপাশি বরেণ্য শিল্পীদের সান্নিধ্য পাওয়ার এমন আয়োজন তাদের জন্যে ছিল ভীষণ উৎসাহব্যঞ্জক, এমনটাই জানায় তারা।
জয়পুরহাট চারুকলা উৎসব ২০১৬ উদযাপন কমিটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় তেঘর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পাঁচ দিনব্যাপী চারুকলা চলছে উৎসব। উৎসবের উদ্দেশ্যই হলো মফস্বলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মনন ও সৃজনশীলতা সৃষ্টির পাশাপাশি স্কুল জীবন থেকে সুকুমারবৃত্তি চর্চায় শিশুদের আত্মনিয়োগে আকৃষ্ট করা।
জয়পুরহাটের ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১২৫ জন শিক্ষার্থী ছাড়াও স্থানীয়রা এই আয়োজনের সঙ্গে থেকে ছবি আঁকার জ্ঞান অর্জন করেছেন। হাতে কলমে ছবি আঁকা শেখাচ্ছেন এবং আঁকছেন দেশবরেণ্য চিত্রশিল্পী আব্দুস শাকুর শাহ, ফরিদা জামান, রণজিৎ দাশ, আফজাল হোসেন, মোস্তাফিজুল হক, নাসরিন বেগম, আহমেদ সামসুদ্দোহা।
এছাড়াও শেখাচ্ছেন মনিরুজ্জামান, রফি হক, শামীম সুবরানা, আনিছুজ্জামান, বিপাশা হায়াত, নাইমা হক, মোহাম্মদ ইউনুছ, রেজাউল করিম, আব্দুস সাত্তার তৌফিক, হারুনুর রশীদ, মাকসুদুর রহমান, রেজাউন নবী ও আলপ্তগীন তুষার।

এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের প্রাক্তন ও বর্তমান ৬০ শিক্ষার্থী জেলায় অংশ নেওয়া ১২টি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে আসা স্থানীয় ১২৫ শিক্ষার্থীদের প্রথম দিন থেকেই ছবি আঁকা শেখাচ্ছেন।

অনুষ্ঠানের মুল ভেন্যু তেঘর উচ্চ বিদ্যালয়ের পার্শবর্তী পালপাড়া গ্রামে ঢাকার চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা মাটির তৈরি নানা ধরণের জিনিষপত্র নিয়েও কথা বলেন স্থানীয় কুমারদের সঙ্গে। সেখানে তারা মাটি দিয়ে বেশ কিছু জিনিষপত্রও তৈরি করেন।  

বরেণ্য শিল্পীদের কাছ থেকে শেখার পর ছবি আঁকছে শিশুরা

এর আগে ১৬ মার্চ ছবি এঁকে চারুকলা উৎসবের উদ্বোধন করেন শিল্পী সমরজিৎ রায় চৌধুরী।

/বিটি/এইচকে/