তীব্র শীতের সঙ্গে কুয়াশায় ঢাকা পড়ছে খুলনা

নতুন বছরের শুরু থেকেই খুলনায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে। সেই সঙ্গে কয়েকদিন ধরে কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ছে। শুক্রবার বেলা পৌনে ২টায় সূর্যের দেখা মিলেছে।

কুয়াশা ও ঠান্ডায় বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষরা। দিনমজুর মো. কালাম বলেন, ‘কুয়াশা বা শীতের কারণে ঘরে বসে থাকলে পেট চলবে না। তাই কুয়াশা বাড়লেও বাইরে কাজের জন্য বের হতে হয়। কাজ না পেলেও উপায় নেই।’

সিএনজি চালক সরোয়ার হোসেন বলেন, ‘এমনিতেই যাত্রী কম। তার ওপর শীতের সঙ্গে ঘন কুয়াশা। ভোরে বের হয়ে বেলা ১০টা পর্যন্ত পাঁচ জন যাত্রী পেয়েছি। এতে তেল খরচও উঠবে না।’

সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক আবু বক্কার বলেন, ‘কুয়াশা আর শীতের কারণে ভোরে বের হইনি। ৯টার দিকে বের হই। তখনও ঘন কুয়াশা। সড়কে যাত্রী নেই। তাই বসে আছি।’

কাঠমিস্ত্রি আব্দুল হালিম শেখ বলেন, ‘চার-পাঁচ দিন হলো শীতের কারণে কাজ নেই। তারপরও কুয়াশার মধ্যে এসে শিববাড়ি মোড়ে বসে থাকি। যদি কোনও কাজ আসে।’

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আকলিমা খাতুন বলেন, ‘শীত প্রতি বছরই পড়ে। এইবার মনে হচ্ছে শীত একটু বেশিই। শহরের তুলনায় গ্রামে শীত আরও বেশি। এ কারণে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীর উপস্থিতি কম।’

খুলনা আবহাওয়া অধিদফতরের সহকারী আবহাওয়াবিদ মিজানুর রহমান বলেন, ‘মঙ্গলবার থেকে এ পরিস্থিতির উন্নতি হবে। ঘন কুয়াশা কেটে যেতে পারে। শুক্রবার থেকে খুলনায় শীতের তীব্রতা ও কুয়াশা বেড়েছে। শুক্রবার খুলনায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, রবিবার ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সোমবার ১২ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে।’