এসব ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তাসহ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ করতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ছয়স্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর মোদ্দাচ্ছের হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ভোটের দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় একজন এসআইয়ের নেতৃত্বে দুইজন কনস্টেবল ও ১৭ জন আনসার সদস্য নিয়োজিত থাকবে। প্রত্যেক ইউনিয়নে পুলিশের একটি করে ভ্রাম্যমাণ টিম কাজ করবে। প্রত্যেক উপজেলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে চারটি করে ভ্রাম্যমাণ টিম কাজ করবে।
এছাড়া প্রত্যেক উপজেলায় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একটি করে ভ্রাম্যমাণ টিম কাজ করবে। প্রত্যেক উপজেলা নির্বাচন অফিসে একটি করে ভ্রাম্যমাণ টিম প্রস্তুত থাকবে। প্রত্যেক থানা ও জেলা সদরে পুলিশের রিজার্ভ ফোর্স প্রস্তুত থাকবে। প্রত্যেক থানায় তদারকির দায়িত্বে থাকবেন একজন করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বা সহকারী পুলিশ সুপার।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৭৮টি ইউনিয়নের ৭১৬টি ভোট কেন্দ্রে ১৪ লাখ ১২ হাজার ৩২৭ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭ লাখ ৬ হাজার ৭১২ জন এবং নারী ভোটার ৭ লাখ ৫ হাজার ৬১৫ জন।
সাতক্ষীরা জেলা নির্বাচন অফিসার কামরুল হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, জেলার ৭১৬টি ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহণের জন্য ৭১৬ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৩ হাজার ৮৩১ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৭ হাজার ৬৬২ জন পোলিং অফিসার নিয়োগ ও তাদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছে জেলা নির্বাচন অফিস।
এছাড়া প্রতি দুই ইউনিয়নে দুই জন করে রিটার্নিং অফিসার কাজ করছেন নির্বাচনি তফসিল ঘোষণার পর থেকেই। প্রত্যেক উপজেলাতেই ভোট গ্রহণের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ২২ মার্চ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ করা হবে হবে বলে জানান তিনি।
/এনএস/এফএস/