কক্সবাজারে বিমানবাহিনী সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষে এক যুবক নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে কক্সবাজার বিমানঘাঁটির কাছে পৌরসভার সমিতিপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবকের নাম শিহাব কবির নাহিদ (৩০)। তিনি ওই এলাকার নাসির উদ্দিনের ছেলে এবং পেশায় ব্যবসায়ী।
আহতদের নাম ও পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় একজন নিহত এবং পাঁচ জন চিকিৎসাধীন থাকার তথ্য নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার সদর হাসপাতাল পুলিশ বক্সের ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম।
এ বিষয়ে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সোমবার বিমান বাহিনী ঘাঁটি কক্সবাজারের ওপর ঘাঁটিসংলগ্ন সমিতিপাড়ার কিছু স্থানীয় দুর্বৃত্ত অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। বিয়াম স্কুলের পাশে বিমানবাহিনীর চেকপোস্ট থেকে একজন স্থানীয় লোকের মোটরসাইকেলের কাগজপত্র না থাকায় বিমান বাহিনীর একজন প্রভোস্ট জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ঘাঁটির অভ্যন্তরে নিয়ে যান। সে সময় সমিতিপাড়ার আনুমানিক দুই শতাধিক লোক বিমান বাহিনীর ঘাঁটির দিকে অগ্রসর হলে বিমানবাহিনীর সদস্যরা তাদের বাধা দেন। পরে স্থানীয় লোকজনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে বিমান বাহিনীর চেকপোস্ট এলাকায় বাহিনীর সদস্য ও সমিতিপাড়ার কিছু দুষ্কৃতকারীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থলে কুচক্রী মহলের ইন্ধনে দুর্বৃত্তরা বিমান বাহিনীর সদস্যদের ওপর ইট-পাটকেল ছোড়ে। এ সময় দুর্বৃত্তদের ছোড়া ইটপাটকেলের আঘাতে কয়েকজন আহত হন। তাদের মধ্যে বিমান বাহিনীর চার সদস্য (একজন অফিসার ও তিন জন বিমানসেনা) আহত হন। শিহাব কবির নাহিদ নামে এক যুবককে গুরুতর আহত অবস্থায় বিমান বাহিনীর গাড়িতে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যু হয়।
সমিতিপাড়ার বাসিন্দারা বলেন, ‘সোমবার দুপুরে কক্সবাজার বিমানবন্দর সম্প্রসারণে ভূমি অধিগ্রহণের জন্য এলাকাবাসীকে অন্য জায়গায় সরিয়ে নিতে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে বিমানবাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রতিনিধিদের পূর্ব নির্ধারিত বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। এ জন্য দুপুর ১২টার দিকে সমিতিপাড়ার বাসিন্দা মো. জাহিদসহ কয়েকজন ইজিবাইকে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে আসছিলেন। তাদের বহনকারী গাড়িটি ডায়াবেটিক পয়েন্ট এলাকায় বিমানবাহিনীর চেকপোস্টে এলে থামানো হয়। সে সময় বিমানবাহিনীর সদস্যরা জাহেদকে গাড়ি থেকে নামতে বললে তাদের মধ্যে তর্ক হয়। পরে জাহেদকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে এলাকাবাসী জড়ো হয়ে বিমানবাহিনী সদস্যদের ওপর চড়াও হলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।’
তারা আরও বলেন, ‘সংঘর্ষের একপর্যায়ে বিমান বাহিনীর সদস্যরা এলাকাবাসীকে ছত্রভঙ্গ করতে ফাঁকা গুলি করেন। এতে কমপক্ষে ১০-১৫ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। পরে স্থানীয়রা কয়েকজনকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষণা করেন।’
সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, ‘এ ঘটনায় একজন নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে তা উভয়পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে আইএসপিআর জানিয়েছে, সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কক্সবাজার বিমানবাহিনী ঘাঁটি সংলগ্ন সমিতিপাড়ার কিছু স্থানীয় দুর্বৃত্ত সোমবার বিমানবাহিনী ঘাঁটি কক্সবাজারের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। বিয়াম স্কুলের পাশে বিমানবাহিনীর চেকপোস্ট থেকে একজন স্থানীয় লোকের মোটরসাইকেলের কাগজপত্র না থাকায় বিমানবাহিনীর একজন প্রভোস্ট জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঘাঁটির অভ্যন্তরে নিয়ে যায়। এ সময় সমিতিপাড়ার আনুমানিক দুই শতাধিক স্থানীয় লোকজন বিমানবাহিনীর ঘাঁটির দিকে অগ্রসর হলে বিমানবাহিনীর সদস্যরা তাদের বাধা দেন। পরে স্থানীয় লোকজনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে বিমানবাহিনীর চেকপোস্ট এলাকায় বাহিনীর সদস্য ও সমিতিপাড়ার কিছু দুষ্কৃতকারীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থলে কুচক্রী মহলের ইন্ধনে দুর্বৃত্তরা বিমানবাহিনীর সদস্যদের ওপর ইট-পাটকেল ছোড়ে। এ সময় দুর্বৃত্তদের ছোড়া ইটপাটকেলের আঘাতে কয়েকজন আহত হন। এর মধ্যে বিমানবাহিনীর চার সদস্য (একজন অফিসার ও তিন জন বিমানসেনা) আহত হন। শিহাব কবির নাহিদ নামে এক যুবককে গুরুতর আহত অবস্থায় বিমানবাহিনীর গাড়িতে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।