পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার যমুনা সেতুর পশ্চিমপ্রান্তে সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কয়েকগুণ বেড়েছে যানবাহনের চাপ। তবে যানবাহনের চাপ বাড়লেও যানজট বা ধীরগতি না থাকায় এবার স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছেন মানুষ।
শনিবার (২৯ মার্চ) সকাল থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত কড্ডার মোড়, মুলিবাড়ি চেকপোস্ট, নলকা, হাটিকুমরুল গোল-চত্বরসহ যমুনা সেতু পশ্চিম মহাসড়কে যানজটের দেখা মেলেনি। অনেকে যাত্রীবাহী যানের পাশাপাশি ঝুঁকি নিয়ে ট্রাক, পিকআপ ও মোটরসাইকেলেও যাত্রা করেছেন। ভোগান্তি ছাড়াই স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছেন উত্তরের ও দক্ষিণের যাত্রীরা। মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লেও চিরচেনা যানজটের এই মহাসড়কে স্বাভাবিক গতিতেই চলছে যানবাহন।
হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, যমুনা সেতু পশ্চিম মহাসড়কসহ জেলার চারটি মহাসড়কে এক হাজার ৭০ জন পুলিশ মাঠে কাজ করছে। পাশাপাশি র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ও পুলিশের গোয়েন্দা শাখাসহ সেনাবাহিনী মহাসড়কের সার্বিক নিরাপত্তায় রয়েছে। সেই সঙ্গে মহাসড়কে ৪৫টি মোবাইল টিম ও ৫৬টি পিকেট টিম, যান চলাচল মনিটর করতে হাটিকুমরুল গোলচত্বর ও ঝাঐল ওভারব্রিজে দুটি ড্রোন ক্যামেরা প্রস্তুত রয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন অপসারণে বিভিন্ন স্থানে রাখা হয়েছে রেকার।
হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রউফ বলেন, ‘ঈদযাত্রায় মহাসড়কে যানবাহনের চাপ অনেকটাই বেড়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালের পর থেকে বিভিন্ন পোশাককারখানা ছুটি হওয়ায় পর থেকেই কয়েকগুণ যানবাহনের চাপ বেড়েছে এই মহাসড়কে। এবারের ঈদযাত্রায় কোনও দুর্ভোগ ছাড়াই ঘরে ফিরবে মানুষ।’
বগুড়া রিজিয়ন হাইওয়ে পুলিশের এসপি (অতিরিক্ত ডিআইজি) শহীদুল্লাহ বলেন, ‘এখন পর্যন্ত মহাসড়কের কোনও স্থানে যানজটের খবর পাওয়া যায়নি। ঢাকা-উত্তরাঞ্চলগামী যানবাহন দুই লেন দিয়েই স্বাভাবিকভাবে চলছে। এবারের ঈদযাত্রায় উত্তরের ঘরমুখো মানুষের সমস্যা হয়নি।’