ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যাত্রী ও চালকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে থেকে দুপুর পর্যন্ত মহাসড়কের কাঁচপুর থেকে মেঘনা টোল প্লাজা পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়।
হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দুই-তৃতীয়াংশ বৃষ্টির কারণে কাদা ও পানিতে তলিয়ে গেছে। এ ছাড়া সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে কাঁচপুর সেতুর নিচ দিয়ে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে গাড়ি প্রবেশ করতে বিলম্ব হচ্ছে। বিশেষ করে, ভারী যানবাহন, যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাক ধীরগতিতে চলাচল করায় পুরো মহাসড়কজুড়ে দীর্ঘ সারির সৃষ্টি হয়। এ কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। বেলা গড়িয়ে দুপুর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কাঁচপুর থেকে শিমরাইল, মদনপুর, ভূলতা সংযোগ এলাকা পেরিয়ে যানজট গিয়ে ঠেকেছে মেঘনা টোল প্লাজা পর্যন্ত।
তিশা পরিবহন নামে বাসের চালক আব্দুল মোতালেব বলেন, ‘সকাল থেকে যানজটে পড়ে আছি। পাঁচ মিনিটের পথ অতিক্রম করতে এক ঘণ্টারও বেশি সময় লাগছে। এভাবে চললে কখন গন্তব্যে পৌঁছাবো বুঝতে পারছি না।’
ঢাকাগামী একটি বাসের যাত্রী রোকসানা বেগম বলেন, ‘গাড়ি একবার একটু এগোয়, আবার ১০-১৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকে। বৃষ্টির কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। কখন ঢাকা পৌঁছাবো কিছুই বুঝতে পারছি না।’
ট্রাকচালক রহিম মিয়া বলেন, ‘সড়কে এত গর্ত আর কাদা যে, গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় গাড়ির গতি বাড়ানো একেবারে অসম্ভব।’
শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জুলহাস উদ্দিন বলেন, ‘বৃষ্টির পানিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে কাঁচপুর সেতুর নিচ দিয়ে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে গাড়ি প্রবেশ করতে বিলম্ব হচ্ছে। এতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। যানজট নিরসনে আমাদের একাধিক টিম কাজ করছে।’