মারধরের শিকার ওই শিক্ষার্থীর নাম মো. রুবেল হক। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের ৪১ তম আবর্তন ও মীর মশাররফ হোসেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিকালে ছাত্রলীগ কর্মী শামীম (মার্কেটিং, ৪৩ তম আবর্তন) তার বান্ধবীকে নিয়ে অডিটোরিয়ামের সামনে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এমন সময় অডিটোরিয়ামে সিনেমা দেখতে আসা শিক্ষার্থী রুবেল তাদের সামনে একটি সেলফি তোলেন। সেলফিতে শামীম ও তার বান্ধবীর ছবি এসেছে সন্দেহে রুবেলের হাত থেকে মোবাইল কেড়ে নিয়ে তাকে (রুবেল) জেরা করেন শামীম। তবে শামীম মোবাইলে তাদের ছবি খুঁজে পাননি। একপর্যায়ে জুনিয়র শিক্ষার্থী হয়ে তর্ক করায় ছাত্রলীগ কর্মী শামীমকে চড় মারেন রুবেল। পরে ঘটনাস্থলে থাকা সিনিয়র শিক্ষার্থীরা ব্যাপারটি মিমাংসা করে দেন।
তবে ছাত্রলীগকর্মী শামীম এ ঘটনা ভাসানী হলে জানালে হলের ১২ থেকে ১৫ জন ছাত্রলীগ কর্মী এসে রুবেলকে মারধর করে। পরে রুবেলকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
মারধরে অংশ নেওয়া ছাত্রলীগ কর্মীদের মধ্যে ইমরান (আইন ও বিচার, ৪১ তম আবর্তন), বাবু ( সরকার ও রাজনীতি, ৪৩ তম আবর্তন), রাফি (আইন ও বিচার, ৪৩ তম আবর্তন), তারেক ও শাকিলের পরিচয় পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে ছাত্রলীগ কর্মী শামীম বলেন, রুবেল আমাকে ছাত্রদল সমর্থন করার জন্য চাপ দিচ্ছিল। আমি রাজি না হওয়ায় সে আমাকে প্রথমে মারধর করেছে। পরে আমি তাকে মারধর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ইমরান ও রাফিকে ফোন করলে তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
প্রক্টর অধ্যাপক তপন কুমার সাহা বলেন, ঘটনা মাত্র শুনলাম। আমি খোঁজ নিচ্ছি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/এনএস/এএ/