কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আবদুর রহমান ওরফে শামীম হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি রাজীব মিস্ত্রিকে (৪৫) গ্রেফতার করেছে র্যাব। বৃহস্পতিবার রাতে রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রাজীবকে শুক্রবার (১ মে) দৌলতপুর থানায় সোপর্দ করা হবে বলে র্যাব সূত্র জানিয়েছে।
এ নিয়ে এ পর্যন্ত মামলার এজাহারভুক্ত একজন আসামিসহ চার জনকে গ্রেফতার করা হলো।
র্যাব-১২ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত সরকার স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
গ্রেফতার রাজীব মিস্ত্রি পীর হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত তিন নম্বর আসামি। তার বাড়ি দৌলতপুর উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিম ফিলিপনগরের দারোগার মোড় এলাকায়। তিনি পেশায় কাঠমিস্ত্রি।
র্যাবের কর্মকর্তারা জানান, পীর হত্যা মামলার পর থেকেই র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে। মামলার আসামিদের ধরতে তৎপর হয়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় র্যাব-১২-এর কুষ্টিয়া ক্যাম্পের সদস্যরা জানতে পারেন আসামি রাজীব মিস্ত্রি রাজশাহীর গোদাগাড়ির থানা রোডের একটি সেলুনের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। সঙ্গে সঙ্গে এ বিষয়ে র্যাব-৫-এর সদর কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরে র্যাবের একটি যৌথ দল অভিযান চালিয়ে রাজীবকে গ্রেফতার করে।
১১ এপ্রিল দুপুরে দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের দারোগার মোড় এলাকায় পীর শামীমের দরবার শরিফে উচ্ছৃঙ্খল লোকজন হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এতে দরবার প্রধান আব্দুর রহমান ওরফে শামীম নিহত হন। ১২ এপ্রিল বিকালে তার লাশ দাফন করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই ফজলুর রহমান সান্টু বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ খাজা আহমেদকে প্রধান আসামি করা হয়। এ ছাড়াও অজ্ঞাত আসামি করা হয় আরও ১৮০ থেকে ২০০ জনকে।