সম্মিলন উপলক্ষে আবারও বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে পেরে অনেকে ক্যাম্পাস জীবনের স্মৃতিচারণ করছেন। কেউ বা আবার হাসি ঠাট্টা করতেই পছন্দ করছেন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তের সমানের একটি চায়ের স্টলে বসে স্মৃতিচারণ করছিলেন বিভাগের চার বন্ধু-বান্ধবী। তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ১৯৯৩-৯৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। বাংলা বিভাগের প্রথম অ্যালামনাই সম্মিলন যোগ দিতে দীর্ঘদিন পর ক্যাম্পাসে এসেছেন। কর্মজীবনে শিউলি গৃহিণী হলেও বাকি তিনজন কলেজে শিক্ষকতা করছেন।
তারা বলেন, ক্যাম্পাসে এমন কোনও জায়গা নেই যেখানে তাদের পদচারণা নেই। ক্যাম্পাসে ভর্তি হয়ে পুরো ক্যাম্পাস চষে বেরিয়েছেন। এখন ক্যাম্পাসের অবকাঠামোর অনেক পরিবর্তন হয়েছে। এখনাকার শিক্ষার্থীদের মধ্যেও আগের মতো হৃদ্যতা নেই।
ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায়, ছেলেরা লাল রঙের পাঞ্জাবি আর মেয়েরা হলুদ রঙের শাড়ি পরে ছোট ছোট দল হয়ে এদিক ওদিক ঘুরছেন বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। কোথাও কোথাও বসেছে জম্পেস আড্ডা। আড্ডায় পুরো স্মৃতি মনে করে অনেকে আবেগাপ্লুত হয়ে উঠছেন, আবার খানিকবাদেই সব ভুলে মেতে উঠছেন আনন্দ-উচ্ছ্বাসে। অ্যালামনাই সম্মিলনকে ঘিরে শুক্রবার ক্যাম্পাসের চিত্র ছিল এটি।
শুক্রবার প্রথম দিনের অনুষ্ঠানমালার আয়োনের মধ্যে ছিল ‘পর্বে পর্বে সময় কথন’ শীর্ষক স্মৃতিচারণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।ঃ
শনিবার দ্বিতীয়দিন শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, সমাজ ও মানবসম্পদ উন্নয়নে বাংলা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অবদান শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন, প্রাবন্ধিকের জবাব সমাপ্তি, বাংলা বিভাগ অ্যালামনাই পুরস্কার ‘কলাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ পুরস্কার-২০১৫’ প্রদান এবং সাংস্কৃতিক ও সমাপনী অনুষ্ঠান।
/এসএনএইচ/