প্রচণ্ড গরমে স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে হাঁপিয়ে ওঠছেন এই এলাকার মানুষ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তাপমাত্রাও পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকায় ঘর থেকে বের হচ্ছেন না তারা। তবে বাধ্য হয়েই রিকশা-ভ্যান নিয়ে বের হতে হচ্ছে খেটে খাওয়া মানুষদের। এদিকে, গরমের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সর্দি, কাশি ও ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। স্থানীয় কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, মৌসুমী বায়ু প্রবাহ শুরু না হওয়া পর্যন্ত তাপমাত্রা আরও বাড়বে।
বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, একটু স্বস্তি পেতে গাছের নিচে বিশ্রাম নিচ্ছেন সাধারণ মানুষ। বৃষ্টিপাত না হওয়ায় চারদিকে খাল-বিল নদীনালা শুকিয়ে চৌচির হয়ে আছে।
গত ৫ এপ্রিল বৃষ্টির পর হঠাৎ করে জেলার আবহাওয়ায় পরিবর্তন আসে এবং তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। গত ৩ সপ্তাহ ধরে ৩৮-৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা উঠানামা করছে। যা সাম্প্রতিক সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। ভেপসা গরম ও তীব্র তাপদাহে কদর বেড়েছে সরবত, শসা, তরমুজ, ডাব ও আইসক্রিমের।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের আবাসিক প্রকৌশলী (নির্বাহী) জাকির হোসেন বলেন, প্রচণ্ড গরমে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে। এলাকায় ২৬ মেগাওয়াটের চাহিদা থাকলেও পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১৪ মেগাওয়াট।
/এসএনএইচ/এএইচ/