বুধবার বরিশাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলা দায়ের করা হয়। মামলার অভিযুক্তরা হলেন মেট্রোপলিটন ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট রফিকুল ইসলাম এবং কনস্টেবল রুহুল আমিন। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ১০৯, ৩৮৫, ৫০৪ ও ৫০৬ (২) এর অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট বিপ্লব কুমার রায় জানান, সাংবাদিক হাসিবুল ইসলাম মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নগরীর চকবাজার থেকে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে ফলপট্টির মুখে মোটরসাইকেল থামিয়ে কনস্টেবল রুহুল আমিন রেজিস্ট্রেশন পেপার দেখতে চান। কিন্তু নতুন কেনা মোটরসাইকেলটির রেজিস্ট্রেশনের কাগজ না থাকায় হাসিবুল ইসলামের কাছে দুই হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন সার্জেন্ট রফিকুল। এসময় ওই সাংবাদিককে গালাগালি এবং মামলায় জড়িয়ে জেল হাজতে পাঠানোর হুমকি দেওয়া হয়।’
অভিযুক্ত সার্জেন্ট রফিকুল ইসলাম বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘ওই সাংবাদিকের বৈধ কাগজ না থাকায় মোটরসাইকেলটি আটক করি। আমি কেবল চালককে স্মরণ করিয়ে দিতে চেয়েছি কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।’
আরও পড়ুন:
মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (ট্রাফিক) আবু সালেহ মো. রায়হান জানান আদালতের নির্দেশ এখনও তার কাছে পৌঁছেনি। কাগজ পেলে তিনি আদালতের নির্দেশ মোতাবেক ব্যবস্থা নেবেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক মো. আলী হোসাইন জানান, মামলাটি তদন্ত করে পরবর্তী তারিখ ৮ মে এর মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য উপ-পুলিশ কমিশনার ট্রাফিককে আদেশ দিয়েছেন।
/এনএস/এইচকে/