এ সময় জাহিদ হত্যায় মিজান ও তার খালাত ভাই মিরাজ কে খুনি দাবি করে বিচার চাওয়া হয়।
এসপি সুভাষ চন্দ্র সাহা দ্রুত আাসামিদের গ্রফতারের আশ্বাস দিলে বিক্ষোভকারীরা শান্ত হন।
উল্লেখ্য, গত ১০ মে সন্ধ্যা ৭ টায় ঝালকাঠির গাবখান ব্রিজে টোল আদায়কারী জাহিদ স্থানীয় ট্রলি মালিক মিজানের কাছে টোলের টাকা চাইলে মিজান স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে ব্রিজের টোল না দেওয়ায় তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে মিজান ও তার সঙ্গী মিরাজ লোহার রড দিয়ে জাহিদের মাথায় আঘাত করেন।
আরও পড়তে পারেন: জাতি ক্ষমা চাচ্ছে সেই শিক্ষকের কাছে!
গুরুতর আহত অবস্থায় জাহিদকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর অবস্থার অবনতি ঘটলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ে (শেবাচিম) পাঠায়। পরে সেখান থেকে তাকে ঢাকায় পাঠানোর ৬ দিন পর সোমবার রাতে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় জাহিদের বাবা ফারুক হোসেন হাওলাদার বাদী হয়ে ঝালকাঠি সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
/এআর/এমএনএইচ/